পৃষ্ঠাসমূহ

শনিবার, আগস্ট ৩০, ২০০৮

Bondhu - tomay

Kuashar chadore mukh dhekechhi

Mone hochhe bondhu ami porda tenechhi

Obosh haat paye bhor kore

Mon chhutchhe pokhkhirajer khoje


Praner bondhu ki hariye jabe?

Gghorer dhulo jomei jabe?

Shukno golay atka dawla

Ekla payei egiye chola?


Paliye jabo onek dure,

Chena ramdhonuder deshe

Proshno dakat bondi sethay,

Dirghoswash niruddeshe


Hiseb khatar probesh nisedh

Du char gonda chowa pabo

Buker kata tulbe tumi

Porda tule gaan sonabo


Phuler renu makhiye gaye

Tukro tara joriye paye

Megh roddur daine baye

Rakhbo tomay poober naye



শুক্রবার, নভেম্বর ২৩, ২০০৭

তোমায় নিয়েই

তোমায় নিয়েই কাটিয়ে দিলেম আজ
আরেকটা সাঁঝবেলা
ইচ্ছেগুলো কুড়িয়ে নিয়ে গাঁথি
বিনি সূতোর মালা

তোমায় নিয়েই অবুঝ কালো রাতে
সাহস প্রদীপ জালি
তোমায় নিয়েই লালরঙা ঐ ভোরে
কান্না হলো কালি

তোমায় নিয়েই খাতায় আঁকিবুকি
শব্দ মিছিল শুরু
তোমায় নিয়েই আবার বাগান গড়ি
তবু বুকটা দুরুদুরু

Tomay Niyei

Tomay niyei katiye dilem aj

Arekta sanjh bela

Ichche gulo kuriye niye gathi

Bini sutor mala

Tomay niyei khatay akibuki

Shobdo michhil shuru

Tomay niyei abar bagan gori

Tobu bukta duruduru

Tomay niyei obujh kalo ratey

Sahosh prodeep jali

Tomay niyei lal ronga oi bhore

Kanna holo kali

সোমবার, অক্টোবর ৩০, ২০০৬

ইচ্ছে আগাছা

মনের বাগানে ইচ্ছে আগাছাগুলো বেড়ে চলেছে|
তাদের ফুলগুলো রঙ্গীন,
মধূময় গন্ধ;
তবু নীয়ম কেতাবে লেখা আছে ওগুলো আগাছা -
তাই ওদের প্রশ্রয় দেওয়া বারন|
মনের বাগানের আতিথী জেনো তাদের না দেখতে পায় -
মন বাগানের মালী তাই তাদের লুকিয়ে রাখে;
নীয়ম কেতাবে লেখা থাকলেও পারেনা তাদের নীর্মূল করতে|
তারা লুকিয়ে রয়েছে বড় গোলাপ ঝাড়ের ওপারে,
তারা ফূটে চলেছে আমবাগানের নিঝুম ছায়ায়;
গোলাপের চোখধাঁদানো রূপের ফাঁকেও তাদের ঊঁকি চোখে পড়ে,
আমের গন্ধ চিরে ভেসে আসে তাদের মিষ্টি গন্ধ|
নীয়ম কেতাবে ইচ্ছেগুলো আগাছা হয়েই রয়েছে -

গরল পাথর

পরশপাথর জানি যার ছোঁয়ায় কয়্লা হয় সোনার বরন,
সেই পাথরের নাম কি জানো জার পরশে পারিজাতেরো নিশ্চিত মরণ?

সে পাথর কি জার পরশে আতলান্তিক সাহারা মরূভূমি হয়-
যার ছোঁয়া হারকিউলিসের বুকে কালো আঁধার আতন্ক জাগায়?

মীরার প্রেমে শীতল নাগপাশ হয় মধূর পূষ্পমালা-
আর এর ছোঁয়ায় শিউলির মধূ হয় গোখরো বীষের জ্বালা|

তাকে আগূনে ফেলোনা আগূন খেয়ে জগত করবে অন্নবিহীন,
তাকে জলে ফেলোনা তৃষ্ণার্ত পৃথীবি হবে জন্মবিহীন|

পরশপাথর এসেছিল জাদুর ছোঁয়ায় তাকেও পাল্টে দিতে,
ভীষনভাবে হারতে চেয়েও এই লড়াই শেষে সেই গেলো কি জিতে?


মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৩, ২০০৬

নীঝূমতলির গান

ঘুম পাহাড়ির পারে
খেয়ালি নদীর ধারে
নীঝূমতলি গাঁয়ে
ক্লান্তী ভরা পায়ে
ধোঁয়া জড়ানো সাঁঝে
ব্যাথার সঙ্খ বাজে
অধীর আকূল প্রান
পাগল করা টান
শূন্য বুকের মাঠ
শান্ত করা হাথ
য্খন বাঁধ মানে না মন
তখন পাবে আপনজন

প্রানের দেশ

বুকের মাঝে অনেক ভীড়ে
দাঁড়িয়ে থাকা শূন্যতা
সব্'ই আছে - নেই শুধু সেই
অনেক কাছের ঊষ্ণতা

অনেক পাওয়া জীবন আছে
খুঁজছি তবু আপন্জন
প্রানের খোঁজে মনের দাবী
অনেক চেনা আলীঙ্গন

স্বপ্ন নেশায় মন মেতেছে
নীয়ম যূক্তি আর কি মানে
পরশ পাথর পেতেই হবে
ছূট দিলো সে আকাশপানে

আমি আছি তুমিও আছ
জাগছে নতূন প্রানের রেশ
অনেক দূরে? দূর নয়তো
মোড় পেরোলেই প্রানের দেশ

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০০৬

চলে যাবো বলে তো আসিনি

চলে যাবো বলে তো আসিনি,
এসেছিলাম স্বপ্ন নদীর জলে
চাওয়া পাওয়ার রঙ্গ মিশিয়ে
ভবিষ্যতের ছবি আঁকতে -

চলে যাবো বলে তো আসিনি,
এসেছিলাম দুজনার মনের তারে
ঈমনের যুগলবন্দী তান তুলে
ভালবাসার গান বাঁধতে -

চলে যাবো বলে তো আসিনি,
এসেছিলাম তোমার নৈস্তব্ধতায়
আমার দম বন্ধ অন্ধকারের আলীঙ্গনে
মূক্তির পথ দেখতে

চলে যাবো বলে তো আসিনি,
এসেছিলামদুই থেমে থাকা জীবনের
একসাথে ডানা মেলে
আশা মেঘের দেশে উড়ে যেতে

চলে যাবো বলে তো আসিনি,
তবে কেন হঠাত পথের মোড়ে
চেনা পায়ের শব্দ
হারিয়ে গেলো আবার আসা একাকীত্যে?

বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৬, ২০০৬

মেঘের আশা


সূর্যকে বলে যদি কেউ তোমার আলো নেই
ফুলকে বলে যদি কেউ তুমি রং বিহীন
মাছ নাকি জানেনা ভাসতে জলে
মহাকাশ নয় অন্তবিহীন

আগূন জানলো পারবে না সে জ্বলতে
কোকিল জানলো পারবে না সে গাইতে
অশ্বথামার যাবে এবার প্রান
এ মেঘ নাকি পারবে না বর্ষা বইতে

মেঘ দেখে কেউ ভাবে পর্বত
কেউ তারে কয় ইন্দ্রের ঐরাবত
মেঘ হাসে, জানে সে সুধুই মেঘ
বৃষ্টির শান্ত নীড় আর মনের জগত

বর্ষা আসে আপন মনে খেলতে
মেঘের ভেতর দেখল কি কেউ একবার নৃভ্রিতে
সুধু একবার ভালবেসে বললে, দেখতো
পেতো বৃষ্টি খুজছিল যা মেঘ-মল্লার গীতে

বুধবার, জুন ২৮, ২০০৬

চিন্তা কিসের


যখন চোখ চাইবে ভিজতে
চিন্তা কিসের মেঘ তো আছে,
ঝরতে দেবে, হালকা হবে,
ঊঠবে আবার ঝিলমিলিয়ে;

যখন মুখ চাইবে বলতে
চিন্তা কিসের মেঘ তো আছে,
শুনবে সে সব, কানটি পেতে,
বুঝবে কথা জমিয়ে রাখা;

যখন পা চাইবে ছুটতে,
চিন্তা কিসের মেঘ তো আছে,
ভাঙবে বাঁধন ছিঁড়বে বেড়া,
সঙ্গে কিম্বা একলা দিও পাড়ী

যখন হাত হতে চায় বাঁধনছাড়া,
চিন্তা কিসের মেঘ তো আছে,
টুটবে শেকল, নীয়ম কানূন,
করবে দু-হাত আপন খেয়াল

যখন প্রাণ চাইবে শান্তি -
চিন্তা কিসের মেঘ তো আছে,
ঊষ্ণ বুকে, নিঝূম কোলে
স্বপ্ন কুঁড়ি জন্ম নেবে;

যখন চাইবে তুমি দিতে -
থাকবে এ-মেঘ দুহাত পেতে,
অনেক বাসী, টাটকা নতুন -
সব স্বাদেরাই যায়্গা পাবে;

মঙ্গলবার, জুন ২০, ২০০৬

নীর্বাসন

শ্যাওলা ঘেরা আধ ভাঙ্গা সেই পুকুর পাড়ের ঘাট,
কৃষ্ণ্চূড়ার আবীর মাখা মখমলি সেই মাঠ,
কামরাঙ্গা আর বাবলা গাছের আঁধার ছাওয়া বন,
মায়ের কোলের চিন্তা ছাড়া রূপকথারি কোন,

নীর্বাসন, নেই তারা কেউ;
আজকে রাজার নীর্বাসন |

তাল খেজূরের ঝাকড়া মাথার তলায় বাঁধা হাঁড়ি,
খেলার শেষে মাঠের পারে অচীন দেশের পাড়ি,
মেলায় পাওয়া তীর ধনুক আর ঝলমলে সেই টুপি,
দূপুর বেলায় রান্নাঘরে হামলা চুপি চুপি;

নীর্বাসন, নেই তারা কেউ;
আজকে রাজার নীর্বাসন |

বর্ষা রাতে ব্যাঙের ডাক আর দিনের কাগজ খেয়া,
কুড়িয়ে পাওয়া কোঁচড় ভরা ফলের দেওয়া নেওয়া,
পড়তে বসে অঙ্ক সেখা, বাবার মিষ্টি শাষন,
মন খারাপে মায়ের বুকে জাপ্টে ধরা বাধন;

নীর্বাসন, নেই তারা কেউ;
আজকে রাজার নীর্বাসন |

ঘুম ভাঙ্গানো মিষ্টি ডাক আর মাথায় শীতল হাথ,
ভীষন জ্বরে শীতল পটি আর খাইয়ে দেওয়া ভাত,
কাউকে পাওয়ার ঈচ্ছে নিয়ে সন্ধেটা নিঝ্ঝূম,
মিষ্টি হাঁসির স্বপ্নে ঘেরা একলা রাতের ঘূম;

নীর্বাসন, নেই তারা কেউ;
আজকে রাজার নীর্বাসন |

সোমবার, জুন ১৯, ২০০৬

মন মানে না

মন মানে না -
পাগল মন নীল নদীতে ডূব;
একা ঘরে থাকে না,
পাগল মনের মেঘ তরীতে সূখ

মন খোঁজে তারে -
রাতে, দিনে, চিন্তা বনে, ঘরের কোনে খোঁজে -
হারায়ে পাবার আশায়,
শোনা কথায় চেনা ব্যাথায়্, অনুভব সহজে

মন মানে না-
মিষ্টি পাবার স্বপ্নে মশগুল;
মন ধেয়ে যায় -
একটা ডাকের জন্য সে ব্যাকুল

মঙ্গলবার, জুন ১৩, ২০০৬

ক্ষনিকের চাওয়া পাওয়া

ক্ষনিকের চাওয়া পাওয়া
ভিজে রাতের নিস্তব্ধ হারিয়ে যাওয়া;
বন্ধ চোখে লেগে থাকা অনুভূতি
দাবার ছকের সাজাতে থাকা ঘুটি;
অনেক দূরের কান্না ভেসে থাকা
না জানা ভয়ের বন্ধ থাকা ডাকা;
ভীশন জোরে জাপটে থাকা মন
অনেক চেনা হারানো আলীঙ্গন;
আমের পানা, তেস্টা আর জেগে ওঠা
ছড়িয়ে থাকা স্মৃতি আর এটা ওটা,
নূড়ির মাঝে মুক্ত খুঁজে পাওয়া
বন্ধ ঘরে হঠাত দমকা হাওয়া;
শূকনো মরূর হঠাত ফোটা ফুল
হঠাত বানে ছাপিয়ে যাওয়া কূল;
দিকশূন্য ভরসা আর অশ্বাস
স্বপ্নগুলোর জমাটি বিশ্বাস;
মৃত মনের মেঘ মল্লার গাওয়া
শূকনো বুকের ক্ষনিকের চাওয়া পাওয়া|

শুক্রবার, জুন ০৯, ২০০৬

স্বপ্ন নদী তিরে

স্বপ্ন নদী তিরে
নেড়া গাছ্তলার চায়াহীন তলে
ঝরাপাতার স্তুপের তলায়
সেঁদা গন্ধের ভেজা মাটির কোলে
বসে আছি - যদি আসে ফিরে

দিন্, হপ্তা, মাস্, বছর্, যায় যদি যাক
দশক শতাব্দীতে গড়ালে হব না অবাক
মুহূর্তের কবিতায় জীবনের সুর দিতে মগ্ন
স্ম্রীতির ঢেউ গুনে অপেক্ষা কবে আসে বৃষ্টির ডাক
বসে আছি - যদি আসে ফিরে

যদি পিছন ফিরে দেখে
যদি আসে ফিরে সেই পথের মোড়ে
যদি আবার হাথ বড়াতে ইচ্ছে করে
যদি সেই ভেজা সকাল মনে পড়ে
আমায় পাবে সেখানেই -

স্বপ্ন নদী তিরে
নেড়া গাছ্তলার চায়াহীন তলে
ঝরাপাতার স্তুপের তলায়
সেঁদা গন্ধের ভেজা মাটির কোলে
বসে আছি - যদি আসে ফিরে

বুধবার, মে ২৪, ২০০৬

ব্যাথা ভালো

ব্যথা ভালো , ব্যথা মনে করায় - আমি বেঁচে আছি!

ছোট্টো মেয়েটার মাথয় জলের কলসী - ব্যথা দেয়!
প্যারালাইজ্ড হাথে আমের ঠেলাগাড়ী - ব্যাথা দেয়!
ঊড়ন্ত ক্যাচ হাতে এসে ফস্কে য়াওয়া - ব্যাথা দেয়!
তবু ব্যাথা ভালো -
ব্যাথা মনে করায় - আমি বেঁচে আছি!

না দেখা ভবিষ্যতের স্বপ্ন - ব্যাথা,
না পাওয়া অতীতের দূঃখ - ব্যাথা,
পাওয়া - না পাওয়ার হিসাবে গরমিল - ব্যাথা,
তবু ব্যাথা ভালো -
ব্যাথা মনে করায় - আমি বেঁচে আছি!

চায়ের কাপের উল্টে থাকা দোসর - ব্যাথা জাগায়,
না জানা অভাবের প্রশ্ন - ব্যাথা জাগায়,
ভালবাসার প্রাচূর্যে- দম বন্ধ না দিতে পারা - ব্যাথা জাগায়,

ঘুমন্ত মুখে জলের ছিটে
হরিন চোখের খুজে দেখা
না বলা কান্নার বুকে লোকনো
ব্যাথা - ব্যাথা দেয় - ব্যাথা জাগায়
তবু ব্যাথা ভালো -
ব্যাথা মনে করায় - আমি বেঁচে আছি!